বর্তমান ভারতের প্রাকৃতিক, এঁতিহাসিক, সামাজিক, | অর্থনৈতিক রাজনৈতিক অবস্থা

৩*নং কলেজ ্ট মার্কেট, কলিকাতা

ংস্কৃত প্রেম ১২৪।২।১, মাণিকতলা সীট, কলিকাতা _ প্রিন্টার_শ্রীবিষ্পদ হারা

“জননী জম্মতৃমিশ্চ স্বর্ণাদপি গ্রীয়মী।”

ন্ধননী

জন্মভূমিকে দিলাম।

প্রভাত

ভারতপরিচয আস্োপান্ধ পাঠ করিয়া পরম গরিভোষ নাভ করিয়াছি। এতগুনি অব্ঠজাতব্য বিষয়ের একত্র সমাবেশ প্রায় দেখা যায়না। ভারতবর্ষে জাতিভেদ, শিক্ষা, শীসনগ্রণানী, শ্বায়ভশীমন, ধর্মমত প্রত্ৃতি বিষয় অতি সংক্ষেপে বিবৃত হইয়াছে। আমি যতদূর জানি প্রকার গ্রন্থ বঙ্গভাষায় পর্যন্ত প্রকাশিত হয় নাই। আশ

করি হিতীয়সংঘরণে তন বিষ বনধিতকারে সন্িবেশিত হইবে। ২৭শে মগের ১৯২১) : লারেপকলদেদ। |... প্রীগুচ্ রায়

কৰিকাতা।

সমগ্র ভারত্বর্ষকে. সকর দিক হইতে পানিতে গার! ধায় এমন কোনো! গ্র্থ বাংল! ভাষায় নাই; সেই অভাব দুর করিবার ইচ্ছায় প্রায় ছয় বং পূর্বে আমর! কয়েক জন বন্ধুতে মিলিয়! এই গ্রন্থের নুচীপত্র ধশড় করি) তখন আমার উপর বোধ হয় তিন চারিটি পরিচ্ছেদের ভার অর্পিত হয্ব। কথ! ছিল অবশিষ্টাংশ. অন্তেরা লিখিবেন। কিন্ত দুঃখের বিষয় -গঁচটা পরিচ্ছেদ ব্যতীত গ্রন্থের সম্তই আমাকে একা করিতে হইয়াছে। একই ব্যক্তিকে ধর্ম-মংস্কার পর্যন্ত সকল বিষয় লিখিতে হইলে, ফল যে আশানুরূপ হইতে পারে না, তাহা বল। নিশ্রয়োজন। এই গ্রন্থ পাঠ করিতে করিতে যে সব ভ্রম প্রমাণ সহায় পাঠকগণের দৃটিভূত হইবে-_ভাহা! যদি আমাকে গুদ্ধ করিয়া জ্ঞাপন করেন তবে আমি কৃতজঞন্বদয়ে দ্বিতীয় সংস্করণে সেগুলি সংশোধন করিব। এই শ্রেণীর গ্রস্থকে 00 19 0869 করা অসম্ভব, কারণ ঘটনা! (8668) তানিক! (88158) প্রতিদিন নূতন নৃতন আকার গ্রহণ করিতেছে। ইহার মুন্রণ কাঁ্ধ্য দেড় বৎসর ধরিয়। চলিয়াছিল, সুতরাং কতকগুলি ঘটনা কিছু পুরাণো..বলিয়। মনে হইতে :পারে। ' অধিকাংশ ঘটনা তালিক। ১৯১৯ সাল পর্য্যন্ত আনিতে চেষ্টা কন্ধিয়াছি। জনসংখ্যা সংজ্ান্ত ভালিকা ১৯১১ সালের আঘমনুমারী (09080) হইতে গ্রহণ করিয়াছি; কেননা .১৯২১ সালের জনগণনার ফল: প্রতিবেন আকার (খা) প্রকাশিত 1০৬০ তাহা রানা সর্ববা নিরাগধ +

19

ঘটনা প্রতিদিনই নৃতন হইতেছে; সুতরাং তাঁহার সহিত তাল বক্ষ করা এক মাত্র দৈনিক কাগজেরই পক্ষে সম্ভব, শ্রেণীর গ্রস্থের নয়। এই গ্রন্থ রচনায় ধাহাছ্ের নিকট সাহায্য পহিয়াছি তাহাদিগকে বিশেষভাবে আমীর কৃতজ্ঞতা জাঁপন করিতেছি শ্রীযুক্ত জগদানন্দ রায় মহাঁশয় "উদ্ভিদ প্রাণি” পরিচ্ছেদ ছুটি লিখিয়া, আমার বন্ধু'সহাধ্যায়ী জীধুক্ত হীরালাল রায় (বেঙ্গল টেক্নিক্যাল ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ ) “ভারত শাসন? সন্ধে পরিচ্ছেদটি লিখিয়, আমার পড়ী শ্রীমতাঁ মুধামনী দেবী ব্রাহ্ম সমাজ 'আর্ধ্য সমাজ? প্রবন্ধ ছটি লিখিয়া দিয়া আমার ঘিশেষ উপকার করিয়াছেন। শ্রীযুক্ত পণ্ডিত বিধুশেখর শাস্ত্রী মহাঁশয় ভারতের ভাষা সম্বন্ধে একটি সুন্দর প্রবন্ধ লিখিয়া দেন, কিন্তু তাহা সমযাভাবে ছাপা হইল ন| ; আগামী সংস্করণে সেটি থাকিবে। কলিকাত। বিশ্ববিদ্তালক্বের অধ্যাপক আমার বন্ধু সহাধ্যায়ী শ্রীযুক্ত উপেন্জীনারায়ণ মিত্র, বিজয় কুমার সরকার মহাশয় দ্বয়ের নিকট হইতে সাহা্য পাইয়াছি | 09010819081 ১0797 বিভীগের ভূতত্ববিদ্‌ ভরীযুক্ত বরদাচরণ বায়, বিষয়ক প্রবন্ধটি পঠি সংশোধন করিয়! আমাকে কৃতজ্ঞতাপাশে “বাধিয়াছেন। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিণ্টো প্রফেসর শ্রীযুক্ত প্রমথ নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয় নূতন শাসন সংস্কার সন্ঘন্ধে আমাকে 'জীযুক্ত মছনাথ সরকার মহাশয় জীযুক্ত রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় মহাশয় "এই গ্রন্থের খশড়া-সচী ক্মস্তোপান্ত পাঠ করিয়া টিপপনী লিখিয়া 'জিয়া আমীর কি পর্ঘ্যস্তউপকার করিয়াছেন তাহা আমি বলিতে পাকি ন]। বন্ধ ভ্রীফুত, বাঁধাকমল মুখোপাধ্যায় এই গ্রন্থ রচনায় মুগ্রোঙ্ষণে আমায় যেরূপ উত্যীহ দানকরিছাছেন তাহা তাহাই উপঘৃক্ত। এই গ্রনথপাগকনে যেপ্ফল পুস্তক 'আবন্তক্ষ হইয়াছে তাহীর- গায়

/5

লাভ করিয়াছি বলিয়া এইখানে বসিয়া ব্যবহার করিতে পারায় গ্রস্থ রুনা সম্ভব হইয়াছে আমাদের মধ্যে জ্ঞানালো5নার দীপ যাহাতে মান না হয় সেজন্ত রবীন্দ্রনাথ নিয়ত গ্রস্থাগারের পু্টিসাধন করিয়! আমাদিগকে উৎমাহ দিয়া মনকে কতথাঁনি সতেজ রাখিয়াছেন, তাহা বাহিরের কাহারও জানা সন্তব নয়।

তারপর, ভগবান্‌ ধাহাকে ধনে জ্ঞানে সমভাবে সম্পদবান্‌ করিয়াছেন-আমার বন্ধু কুমার নরেন্দ্রনাথ লাহা মহাশয়ের দান সাহায্য উৎসাহ বাতীত এই গ্রন্থ কখনে| প্রকাশিত হইত না এই এ্থ “ৃধীকেশ সিরিজের” অন্তত করিয়া তিনি আমাকে সম্মানিত করিয়াছেন; তীহাঁকে ধন্তবাঁদ দিবার মতো! ভাষাও আমার নাই। ইতি

রহ্চ্য্যাশ্রম, শান্তিনিকেতন

দিবার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়

ক্ষিপ্ত সূচী প্রথম ভাগ--প্রাকৃতিক

১। প্রান্তিক অবস্থা ২। জলবায়ু

৩। উদ্ভিদ

৪। প্রীণী

৫| জাতি-তত্ব

৬। আয়তন জনসংখ্যা ৭। নগর গ্রাম

৮। জনসংখ্যার হ্রাসবৃদ্ধি ৯। অক্ষম অকর্মণ্য ১০। উপজীবিকা ১১। স্থানান্তর দেশান্তর গমন ".. ১২। স্বাস্থা, মৃত্যু চিকিৎস! দ্বিতীয় ভাগ--এঁতিহাসিক সামাজিক ১। জাতীয় আন্দৌলনের ইতিহাঁস ২। ধর্মসংস্কার সংরক্ষণ |

৩। বর্ণতেদ ্ন

৪। জ্ঞান বিস্তার টি টা | তৃতীয় ভাগ--শাসনবিষয়ক

১। ' ভারতশাসনপ্রণালী **"

২। নৃতন শাসনমংস্কার

ও। স্থানীয় স্বায়তশামন

৪। করদ মিত্ররাজ্য

১১ ১৭ ২১ ২৮ ৩৬. ৪৩, ৪8৪ ৫১

৫৩

৭৫

৭৫ ১৩৯.

৯১৫

২২৭ ২৫০ ২৭৩ ২৮৫

1

৫1 জমিবনাবনত

৬। আয় বায়

৭। শিক্ষার ইতিহাঁন

৮। আইন বিচার

| গুরিশ জেল

১*। মৈনিক বিভাগ."

চতুর্ঘ ভাগ_অর্থ নৈতিক

3। কৃষি '* রঃ ২। জঁল-দেন

৩। গো-পালন

81 শিল্প বাণিঙ

৫| খনিজ শিল্প

ও৬। খনি ধাতু

৭। ব্যবসায়

৮1 রেনপথ

৯। ছূর্ভিক্গ তাহার গ্রতিকাঁর

১০ মমবায় যৌথ ধণদান সমিতি. ***

পারার বটি

৩১৩

৩২৮ ৩৪৭ ৩৮৪ ৩৮৭

৩৯০

8৪8

[8২০

8৩৪

০,8৭৬ 8৯৪

-. 8৯8

৫২৬

৫6০ ৫৫৯

৫৭9

বিস্তৃত সৃচী। প্রথম ভাগ--প্রাকৃতিক

প্রাকৃতিক অবস্থা-_ভারতবর্য ভারভপীয্াজ্য ১, সীমান্ত, ভারতের প্রাকৃতিক অবস্থা ২, _হিমালয় ২৩১-- পশ্চিম সীমান্ত " ৪২ পূর্বসীমাস্ত ৫_সমতল ভুমি নদী ৫,-_আর্্যাবর্তের ভূ-প্রকৃতি ইতিহাস ৮-দাক্ষিণাত্য ৯,__সমুদ্রোপকুল ১০।

২। জলবায়ু--মৈঙ্ঘম বায়ু ১১ বৃটি ১২,১৩-বডবঞ্ধা ১৪, _ পরিশিষ্ট ১-_মাস হিসাবে বৃষ্টি, পরিশিষ্ট ২--বৃটির পরিমাণ ১৫,১৬।

ও। উত্তিদৃ-_বহুবিধ বৃক্ষ ১+-উদ্টিদের প্রক্কৃতি হিসাবে সাতটি তাগ ১৮,১৯,-- কয়েকটি প্রয়োজনীয় গাছ ২০।

৪। প্রাণী-_বিচিত্র জাতীয় গ্রাধী, বানর জাতি, বিড়াল জাতি, ২১, কুকুর জাতি ২২, পতঙ্গধাদক প্রাণী, ছেদক প্রাণী ২৩,- খুরযুক্ত প্রাণী ২৪, আন্ত, তীমি জাতি, সাধারণ পর্গী ২০_ শিকারী পন্ষী, কাঁদাখোঁচা, হংসাদি, সর্প ২৬, কী কচ্ছপ, দীপ, মত্ত ২৭_-গতঙ্গ ২৮।

€। জীতি-তত্ব-_-জাতি শব্ধের বিভিন্ন অর্থ ২৮,-137৩98 গীত, স্বেতকাঁয় ২৯ _কৃষ্ণকাঁয়, ভারতের নৃতত্বের জটিলতা, বছু জাতির উপ- নিবেশ সংমিশ্রন ৩০-জাতি নির্ণয়ের সাধারণ উপাঁয় ৩১,-খর্পর বিদ্যা ৩১,--ভারতের জাতি সমূহের সাতটি ভাগ ৩২৩৪, উপজাতি ৩৪-৩৬। রি | |

৬। আয়তন জনসং খ্যা__আয়তন ৩৬ জনসংখ্যা, দেশীয়. রাজা, ভারতের লৌকবসতি ৩৭/__বাংলা, আসাম, বিহার-উড়িষ্! ৩৮,

77০

_ সংযুক্তপ্রদেশ, পঞ্জাব, উ-প- সীমান্ত প্রদেশ ৩৯,--বঘে, মধ্যপ্রদেশ, যাত্রাস ৪*-_করদ রাজা, লোকবসূতির তারতম্যের কারণ ৪১।

৭। নগর গ্রাম-নগর সহর কাহাকে বলে, কলিকাতা ৪২, গ্রাম শিল্পকেন্ত্র, বাড়ীপ্রতি লৌকের বা ৪৩।

:৮। জনসংখ্যার হ্রাসবৃদ্ধি--সমগ্র ভারতের জনসংখ্যা হাস-ৃদ্ধির , সার, যুক্তপ্রদেশ পঞ্জাবের হাম-বৃদ্ধির কাঁরণ, বিবাহিতের সংখ্যা ৪৫, বিবাহিত হিন্দুর সংখ্যা, বিবাহিত মুদলমান, বাঁল্যবিঝাহ ৪৬,৪৭১-_ বিধবা ৪৭,_. জন্মৃত্যুর বৃদ্ধির হার ৪৮,__ভারতবাঁসীর আাযুহাম ৪৯,_ ভারতবর্ষ ইংলণ্ডের অধিবাসীর পরমায়ুর তুলনামূলক তাঁলিকা |

৯। অক্ষয় অকর্্মণ্য---১৮৮১১৯১১ পর্য্যন্ত তালিক1 ৫১, _উন্মাদ ৫১,-মৃক বধির, অন্ধ ৫২,-_কুষ্ঠ ৫২,৫৩।

১) উপজীবিক।-_ইংলও ভারতের অধিবাসীদের মোটামুটি উপন্দীবিকা ৫৩, প্রাটীন গ্রাম ৫৪, কৃষি ৫৫,_খনি, শিল্প ৫৬_ চর্মব্যবসায়, ধাতু, শিল্প, বিবিধ ৫৭,-_ব্যবসায়ে তাঁরতবাঁসী সাহেব ৫৮, --সরকারী কাজে দেশীয়দের স্থান ৫৯,৬০।.

১১। স্থানান্তর দেশান্তর গমন-_স্থানাস্তরে গমনাগমনের অভাব ৬০,_-ভারতের মধ্যে চলাফেরায় প্রদেশ সমূহের লাভ ক্ষতি' বহির্গমনের বাঁধা ৬১,_চলাঁফেরার তিনটি বাঁধা ৬২, _ বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে, আসামের চাবাগানে ৬৩,_বর্মার কলে ৬৪,__জনবৃদ্ধির সমন্ত। ৬৫১--সহরবৃদ্ধি, দেশীস্তর গমন ৬৬চুক্তিবদ্ধ কুলী ৬৭%,_-কুলি চালান আড়কাঁটি ৬৮৬৯,মরিশীস দ্বীপ, নাটাল, ডেমেরারা, ঘন্ঠান স্থান ৭*,__বাহিরের ভারতবাসীর ছুরবস্থা ৭১, কুলীর মধ্যে আত্মহত্যা ৭২,--কুলীপ্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন, প্রবাসী ভারতবাসীর সংখ্যা ৭৩-৭৫।

১২। স্বাস্থ্য, মৃত্যু চিকিৎম।--গ্রক্কতি স্বাস্থ্য ৭৫-- অতিবৃষ্টির ফল ৭১১- অনাঁবুির ফল, স্বাস্থ্যের উপর তাপ শৈত্যের

৮০০

প্রভাব, বোম্বাইএর বাড়ী, ব্যাধির প্রকোপ ৭৭,_বাল্যবিবাহ, পুষ্ট থাস্ের অভাব, নারীক্ষয় ৭৮,_শিশুমৃত্যু ৭৯,- গ্রাম সহরের মৃত্যুহার ৮*১_ভীর্ঘস্কানের অস্থাস্থ্া, লোকের অজতা ৮১,-_মেলেরিয়া ৮২, প্রাচীন বাংলাদেশ ৮৩,--মেলেরিয়াঁর প্রতিকার, কুইনাইনের চাষ, গ্লেগ ৮৪,৮৫,-কলেরা, বসন্ত ৮৫, অন্তান্ত ব্যাধি, ইন্ফ্ুয়েঞা,। ৮৬ চিকিৎস। বিতাঁগ ৮৭,_-চিকিৎসা-প্রতিষ্ঠান হাসপাতাল ৮৮," নারীদের বিশেষ ব্যবস্থা-'লেডী ডাঁফ রিন্‌ হাসপাতাল ফাও ৮৯,৯৭১__ অপমৃত্যু, আত্মঘাতী নারীর সংখ্যা ৯১,-_বন্তজন্তর উৎপাত, বন্দুকের পাশ ৯২, ছুিক্ষ অনাহাঁর, জন্মমৃত্যুর হার ৯৩,_-পৃথিবীর অন্ঠান্ত দেশের জন্মমৃত্যুর হার ৯৪

দ্বিতীয় ভাগ-_-এঁতিহাসিক

১। জাতীয় আন্দোলনের ইতিহাস-_সিপাহী বিদ্রোহাস্তে ভারতের অবস্থা ৯৫,-_ বাংলাদেশের বিচিত্র আন্দোলন, ব্রাঙ্গমাঁজের স্বাধীনতার বাণী ৯৬,-যুরৌপের সহিত ভারতের সাক্ষাৎ সবস্ব রাঁজনৈতিকণুরু রামমোহন, ১৮৫১এ বৃটিশ এসোসিয়েশন স্থাপন ৯৭-রাঁজনৈতিক অন্তান্ত আন্দোলন ৯৮,-__বন্ষের আন্দোলন ৯৯,--. রাঁজপরিবারের মহিত ভারতের ঘনিষ্ট সম্পর্ক, লীটনের শাসন দিদ্লী- দরবার ১০০, দুর্ভিক্ষ প্রতিকারের ব্যবস্থা, সীমাস্তযুদ্ধ, অন্ত্রআাইন ১০৯--দেশীয় মুদরাযনত্ের স্বাধীন! লোপ, দেশীয় শিল্পোক্নতির অস্তরায় ১০২,_ইপ্ডিয়ান্‌ এসোসিয়েশন, মিবিল সার্ভিদ আন্দোলন ১৩, বিলাতে মিঃ ফসেটের আন্দোলন ১*৪,১০৫-__রীপনের শাসন ১*৫১_ ইল্বার্ট বিল ১৯৬--১৮৮২ শিক্ষা! কমিশন, ১৮৮৩ নেশাঁনেল কন্ফরেন্দ ১০৭,--মি হিউম কংগ্রেস, বোম্বাইতে প্রথম কংগ্রেস। ১৯৮১ কংগ্রেসের উদ্দেস্ঠ,। ১৮৮৫-১৯৭৫ কংগ্রেস, রাজনৈতিক ইতিহাস

৯%

৯৯৯,-১৮৯৬র গ্লেগ, কর্জনের শান শিক্ষা-মস্কার ১১০,-- বজচ্ছেদের প্রয়োজনীয়তা, ১১১,_বচ্ছেদ ১৯০৫, জাতীয় আন্দৌলনের মূল কারণ ১১২,৩,--থিওজফি হিন্দুসমাজ ১১৩১--বিবেকানন্দ বাংলদেশ, দয়ানন্দ পঞ্জাব, টিলক বোষাই ১১৪, ১১৫, _রমেশ দত্ত, নৌরজী ডিগ্বীর পুস্তক প্রকাশ ১১৬১৭ বিলাতী দ্রব্য.বজ্জন ব| বয়কট, রাখিবন্ধন ১১৮_স্ব্দেশী আন্দোলন, এন্টিসাকু্লার সোসাইটি, জাতীয় শিক্ষা পরিষদ ১১৯,-বরিশীলে পুলি- শের সহিত সংঘর্ষ, চরমপন্থী নরমপন্থী ১২*,-_-“ুগীস্তরে”র বিপ্লববাদ, রৃষ্ণরমখু যুরোপে ষড়যন্ত্র ১২১, পঞ্জাবনেতাদের নিবধীদন, প্রথম হত্যাকাণ্ড, মাণিকতলার বোমার মৌবদমা ১২২,__টিলকের কারাগার ১২৩,__বাংলার নেতাদের নির্বাসন ১২৪, মৌসলেমলীগ, হিলমুদলমান বিরোধ ১২৫, মর্লী-মিন্টো সংস্কার, বিপ্লবকারীদের উপদ্রব, সম্রাটের আগমন বঙচ্ছেদ রদ ১২৬১৭,--পাবলিক সাবিদ কমিশন ১২৭,--১৯১৪ দ্ধারস্ত ভাঁরতরক্ষা আইন, অস্তরীণ ১২৮,--কংগ্রেস-লীগ, হোমরুল লীগ যুদ্ধে ভারতের দান ১২৯,__কোমাগাটামারুর কাণ্ড, অন্তরীগের বিকন্ধে আন্দোলন ১৩*,-_মণ্টেগ্ুর ঘোষণা, তুর্কীর পরাজয় ১৩১-২,- বফর-ইদে: অশীস্তি, ভারত-সচিবের আঁগমন ১৩৩, মহীত্া। গান্ধির কার্ধ্যাবনী ১৩৪,--শাসন-সংস্কার প্রকাশ, যুদ্ধশেষ সন্ধিসত| ১৩৫, রৌলঠ কমিশন বিল ১৩৬-৭,-_-পঞ্জাবে অশান্তি হণ্টার কমিটি, খলিফৎ মুসলমান সমাজ ১৩৮ ?

২। ধর্মসংস্কার সংরক্ষণ-_ভারতের বিবিধ ধর্ম, হিন্দুধর্ম ১৩৯, বৌদ্ধ, জৈন, আঁদিম ধর্ম ১৪০,--ভাঁরতের বাহিরের ধর্ম ১৪১১২। ্রান্গমমাজ ১৪২-১৫৬,_সসাধ্যদমীজ. ১৫৭-১৬৩,-_সুললমানধমিমাজ- সংস্কার ১৬৩-১৬৬,- পীর্সীধর্ম ১৩৬-১৬৯,শিবনারায়ণ পরমহংস ১৬৯- ১৭১, আহঙদীস্ক ধর্মমত ১৭১-১৭৩, রাধালোরামী সংফঙ্গ ১৭৩-১৭৬,

১/,

_সদেবসমাজ ১৭৬-১৭৯,_-রামকৃষ্জ মিশন ১৭৯-১৮৩,_থিওজফি ১৮৩-

১৮৬ অতাসঠি ধম দশরদায়, মালাজে মাঁধব বাংলায় চৈতনঠ ঈশা ১৮৭-৮,

_-দাক্ষিণাত্যে রামামুজ, শৈব সম্রদায় ১৮৯,__লিঙ্গায়েৎ। তান্ত্রিক পুজা ১৯০,--ভারতধর্ম মহামগুল ১৯০-১৯২,ঠাঁকুর দয়ানন্ন, জগঘ্ধ ১৯২-৩। জৈন ১৯৩-৬,--বৌদ্ধ স্মাজ, শিখ সমাজ দিন ধর্মও সমীজ ১৯৮-২০২।

৩। -বর্ণভেদ-_বর্ণ, উপবর্ণ ২০৩-৪,--শ্রেণী, গোত্র, পরিবার ২০৪-?»--বর্ণ ভেদের উৎপত্তি ২০৬,__উপজাঁতির বর্ণভেদ ২০৭,--উপ- জীবিকাগত বর্ণভেদ ২০৮,_ কর্মীস্তর গ্রহণে নৃতন বর্ণ, সম্পরদায়গত ভেদ

২*৯,--সঙ্কর জাতি, নেসনগত বর্ণ ২১০, স্থানপরিবর্তনে, আঁচারপরি- বর্তনে বর্থভেদ ২১১-২,--সমাঁজ শাসন ২১২-৩,-সকল বর্ণের 'জাতে ওঠার চেষ্টা ২১৩-৫।

৪। জ্ঞান-বিস্তার- মুদ্রা বাংলা-অক্ষর, সাহিত্যের চারিটি ধারা ২১৫-৬_গ্রথম সাময়িক পত্রিকা ২১৭, ইংরাজী খবরের কাগজ, দিগদর্শন সমাচার দর্পণ, রামমোহন রায় ২১৮, ঈশ্বর গুপ্তের প্রতাকর, ুদ্াযসত্ের স্বাধীনতা ২১৯,_তৎকালীন সাহিত্য ২২০,-তত্ববৌধিনী সভ। পত্রিকা, সমাজ বিপ্লব সাহিত্য স্যতি ২২১,-_ এডুকেশন গেজেট, দোমপ্রকাশ, অমৃত বাঁজার পত্রিক! ২২২,_স্থুলভ সমাচার, বঙ্ার্শন ২২৩, --এশিয়াটিক সোসাইটি ২২৪,--মিউজিয়াম ২২৫,--অন্তান্ত সমিতি ২২৬.

তৃতীয় ভাগ্-_শাসনবিষয়ক

১। ভারত শাসন প্রণালী- _ইউইওিয়া কোম্পানীর জনক,

ইংরাজসব্ন্ধের 'যুগ-বিভাগ ২২৭,--ইংরাঁজ. বণিকের বাজাজয় ২২৮, ফোম্পাঁনীর বিটারদত! ২২৯,-ভারত শাসনের গ্রাতি- পালে মে্টের সৃষ্টি পাত) বেগুবেটং আইম ২৩৯-পিটের ভাঁরতসবস্থীয় আইন :২৩১,,

ঠা

১৮১৩/৩৩/৫৩ চার্টারত্যাক্ট,. কোম্পানীর হাত হইতে পালণমেন্টের শাসন ভার গ্রহ্গ, ২৩২, ই্ডয়। কৌন্সিল, .ভারতসচিবের ক্ষমতা কার্ধ্য ২৩৫-৬--তবধাক্ষ সৃভার সন্ত, কার্ধ্য বিভাগ ২৩৭।

.. ব্যবস্থাপক সভ|_বড়লাটের ইতিহাস, মা্রাম বোস্বাইএ আইন প্রণয়ন সৃভা.২৩৮,_-১৮৩৩, ১৮৫৩ চার্টার আযাক্ট ব্যবস্থাপক সভা | ২৩৯১--১৮৬০ সালের ইত্ডিয়৷ কৌন্সিল আ্যাক্ট, ১৮৯২ সালের সংস্কার ২৪*,-_মর্লী-মিপ্টো সংস্কার ২৪৯, ব্যবস্থাপক সভার .ক্ষমত্তা ২৪১১২, প্রাদেশিক ভাগ বিভাগ, প্রাদেশিক শাঁসন ২৪৩)--লাটের, ছোটলাটের, চীফ-কমিশনারের শাসন ২৪৪,--বিভাগ কমিশনর, জেল! ম্যাজিষ্ট্রেট ২৪৫, স্থানীয়শীসন ২৪৬,_-পরিশিষ্ট ভারতীয় ব্যবস্থাপকসভার সত্য সংখ্যা ২৪৭ ৮, পরিশিষ্ট ২__বাংলার ব্যবস্থাপকসত| ২৪৯ |

২। নূতন শাসনসংক্কার_মিঃ মন্টের ঘোষণাপত্র ২৫০, সংস্কার প্রতিবেদন ২৫১-২। প্রার্দেশিক শাসন সংস্কারের উদ্দে্।২৫২-৩,

»"রাজস্বের ভাগ ২৫৩, প্রাদেশিক কর ধার্য্য -কার্য্যনিব্ণহক সভ। ২৫৪-৫বৃহত্বর প্রাদেশিক ব্যবস্থাপক আভা ২৫৫,-গভণরের ক্ষমতা, সরকারী বিল গাও. কর্মিটি ২৫৬-৭/__রাঁজস্বের. ক, বাহিরের কমিশন ২৫৭-৮| ভারত সরকার, যৃস্তীসভ| ব্যরস্থাপক সমিতি, মনোনীত, সভ্যসংখ্যা, সরকারী আইন কৌম্সিল জ্ছাব টি, স্থায়ী কমিটি, প্রিভি, কৌন্গিন ২৬৯। ইগ্ডিয়া অপিষ, ভারত সচিৰ ২৬১,_করদরাজ্য নৃতন সংস্কার ২৬২-৩। ফ্রান্চাইজ কমিটি, “নিবাচক হইবার যোগ্যতা ২৬৩,-নিবচকের সংখ্যা, মনোনীত সভ্য ই৬৪,--সভ্য “হইবার অনধিকারী, ভারতীয় ব্যবস্থাপর সষিতি ২৬৫ “অপিত” বিষয়ের তালিকা, বিলাঁতে জয়েট- কমিটি ১৯১৯ সালের ক্জাইন পাঁশ ২৬৬-৭,:পরিশিষ্ট * বাংলাদেশের ব্যবস্থাপক লভার সভ্য

_ ২৬৮,পরিশিষ্ট ২__বাংজ! দেশের জেলা স্থানানুমায়ী নির্বাচন ২৬৯৭৯,

. 34,

পরিশিষ্ট ৩--শিল্প বাণিজ্যের প্রতিনিধি ্য ২৭৮_পরিসি্ট রি ভারতীয় ব্যবস্থাপক সমিতি ২৭২। : রা

| স্থানীয় স্বায়ভ-শাসন-_ সহর গ্রামের বাসিনার অনু গাত, গ্রামপ্রতি লোকের গড়ে বাঁস ২৭৩,-_ছুই শ্রেণীর গ্রাম, উত্তর-পশ্চিম ভারতবর্ষ, মাদ্রাস বোঁষাইএর পূর্বের গ্রাম্য শাসন ২৭৪-৫,__বাংলাদেশ অন্যান্ত স্থানের অবস্থ৷ ২৭৬,--১৯১২ সালের আঁইন ২৭৭। মুান্সি- - পাঁলটি ২৭৭--২৮*। লোঁকাঁল বোর্ড ২৮০-২৮৩, জেল] লোকাল বোর্ডের তালিকা, সভ্যসংখ্যা, আয়, মাঁথা পিছু কর ইত্যাদি ২৮৪।

৪। করদ মিত্ররাজ্য__করদরাজ্যের আয়তন জনসংখ্যা, পাঁচ শ্রেণীর করদ রাজ্য ২৮৫, ইংয়াজদের সহিত করদরাজোর সনব্ধ ২৮৭_প্রীদেশিকশীসনের সহিত যাহাদের দ্ধ ২৮৮,--করদরাজাদের সর্ভঘ দাদীত ২৮৮৯১ শিক্ষা, , যুদ্ধসঙ্জা ২৮৯ বড়োদা ২৯০-৩০* হারদ্রাদাদ ৩*১-৪। মৃহীশূর ৩০৪-৯। কাঁশ্ীর ৩০৯-১২।

৫। জমি-বন্দবন্ত--জগির মালিক কে? হিন্দুযুগ ৩১৩, -মুদল- মানযুগে জমি বন্দবন্ত ৩১৪,-_-কোম্পাঁনীর যুগ'৩১৫,-_চিরস্থায়ী বন্দবন্ত ৩১৬, -মধ্যপত্ব ৩১৭। মাদ্রাসের ভূমিব্যবস্থা। ৩১৮-১৯,বোদ্বাইএর ব্যবস্থা ৩১৯,- উত্তর-পশ্চিম '-মনবগী রাযতচারী ৩২১। চিবস্থায়ী অস্থায়ী বন্দবন্ত ৩২৩। " নং ৬1 আয় ব্যয়__আঁয়, রাঁজন্বের উপাঁঘ, ' ভূমিকর, ৩২৮ আফিম ৩২৯/--লবণের সরবরাহ, নংগ্রহের উপায়, লবগকর ৩৩০-১,- আবগাঁরী বিভাগ ৩৩১,--বাঁণিজ্যশুক্ ৩৩২-৩১-আয়কর, প্রা কর ৩৩৬-৪-্ঠাম্প, রেজিারী, বনি সমগ্র বীজঙ্থ ৩৩৫, খাপ রাজন্ব ৩৩৬। ব্যয় ৩৩৬, খণ তাহার ছার ৩৩৭) 'জীতীয়" খন ৩৩৮, সামরিক বয় ৩৬৯০৯ রাজন ' আমাযের ব্যয়, কর্মচারীদের বৈতন

১০.

৩৪০-৪১,-_নৃতন বাজেট, বিবিধ ব্যয় ৩৪২,--১৯** লালের দুর্ভিক্ বৈঠকের এক দল সভ্যের মত ৩৪৩-৬১--হৌমচার্জ ৩৪৭1...

51. শিক্ষার ইতিহাঁস- শিক্ষার. তিনটি ধারা, কোম্পানীর মান্রাসা সংস্কৃত কলে স্থাপন ৩৪৮,__ওয়েলেম্দীর কলেজ, খুষ্টধ্ম- প্রচারে কোম্পানীর আপত্তি ৩৪৯,--১৮১৩ সালের প্রদত্ত শিক্ষার ব্যয় ৩৫*-_হিন্দু কলেজ, স্কুল বুক সোসাইটি, শ্লীরামপুরের কলেজ ৩৫১, বিশপ কলেজ, জেনারেল আসেমরী প্রতিষ্ঠা, ১৮৩৩ হইতে থুষ্টানদের অবাঁধ আগমন ৩৫২,_-সংস্কৃত কলেজ স্থাপন ১৮২৪, শিক্ষিত সমাজের দুই দূল, লর্ড মেকলের মন্তব্য ৩৫৩,-_ইংরাজী শিক্ষা প্রচলনে কোম্পানীর স্বার্থ ৩৫৪,__আযাডমের প্রতিবেদন ৩৫৫,-লর্ড হাঁর্ডিংজের ঘোষণা, মুসলমানদের পাঁশ্চত্য শিক্ষায় বীতরাগ ৩৫৬,_ উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ, মাদ্রাস বোতাইতে শিক্ষাব্যবস্থা ৩৫৬-৭,-১৮৫৪ সাঁলে উড্সাছেবের প্রতিবেদন ৩৫৭,__বিশ্ববিষ্তালিয় স্থাপন ১৮৫৭-১৮৮২-১৯০২ পর্য্যন্ত শিক্ষার অবস্থা, শিক্ষাকমিশন ৩৫৮-৯,--১৮৮২-১৯০২ পর্য্যস্ত শিক্ষার অবস্থা! ৩৬*-১,--১৯০২ সালের কমিশন ৩৬১-২,-১৯০৪ সালেযুনিতা্সিটি আযাক্ট ৩৬২-৩,_বর্তমান অবস্থ। ৩৬৩১-_স্যাড়লার কমিশন ৩৬৪ বিশ্ববিদ্তালয়ের শাসন প্রণালী কলিকাতা! বিশ্ববিগ্ঠালয়ের ব্যবস্থা ৩৬৫-৬-_সরকারী কলেজ স্কুগন ৩৬৬৭, নারীশিক্ষাণ অন্তান্ত শ্রেণীর শিক্ষা ৩৬৭, মুসলমাঁন- দের শিক্ষা, স্কুল কলেজের সংখ্যা ৩৬৮, - মরকারী শিক্ষার বাবস্থা, টেক্‌ নিক্যাল শিক্ষা, ৩৬৯-৭০,-_মাহেবদের শিক্ষা ৩৭১, সরকারী কমচারী তাহাদের বেতন ৩৭১-২,-শিক্ষিতের সংখ্যা ৩৭৩-৪,--শিক্ষার জন্ত ব্যয় ৩৭৫)_-টেকনিক্যাল শিক্ষা ৩৭৬-৭,--শিক্ষিতের অনুপাত, শোহ্যরী ৩৭৮, ধ্্ম হিসাবে শিক্ষা মাথাপিছু ব্যয় ৩৭৯।

.৮। আইন বিচার”-দেওয়ানী, দেওানী ওকি অর্থেওয়ানীবিচারের ইতিহাস ৩৮০,_-১৮৩৩সাঁলে ল-মেঘর, হাইকোর্টের

১৮/০ প্রতিষ্ঠা ৩৮১ / মুলেফ, সাবজজ জজের কর্তব্য অধিকার ৩৮২১-- ছোটআদালত ৩৮৩, ,-ফৌজদীরী আদালত, তিন শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট, ৩৮৩,_-সেমন জজ, হাইকেটি, দায়রা, আপিল ৩৮৪, _রিফমে টারী, মোকর্দমার সংখ্যা ৩৮৫।

৯। পুলিশ জেলা-_চৌকিদারী বসত, থানা, আউট পোষ্ট গ্রভৃতি ৩৮৭,_-গোয়েন্বা বিভাগ, কলিকাতার পৃথক্‌ ব্যবস্থা ৩৮৮,__ কারাগার কারাশ্রম ৩৮৯/_বিবিধ কারাগার ৩৯*। |

১*। সৈনিক-বিভাগ-_ সৈনিক বিভাগের পূর্বইতিহাঁদ ৩৯০) - সিপাহীদের শক্তি, সিপাহীবিদ্রোহের সময়ে সৈন্ত-সংখ্যা ৩৯১-বিদ্বোহ শেষে সংস্কার, রুশভীতি দৈন্ঠবৃদ্ধি ৩৯৩১-_দেশীয় রাঁজাদের সৈন্ঠ- বাহিনী, ১৮৯১ সালের সংস্কার ৩৯৩, লর্ড কিচেনাঁর সৈম্ত বিভাগ

শ্কার ৩৯৪, পৈন্য-সংস্থান ৩৯৫। যুদ্ধে ভারতসৈন্যের স্থান, সৈন্য হইবার উপযুক্ত জাতি ৩৯৬,_-গত যুদ্ধে ভারতের দাঁন ৩৯৭-৯,-_বিলাতে সৈন্য সংগ্রহে তারতের ব্যয় ৪০.,__দেশীয় সৈনোর বেতন, ইংরাজ সৈনিক কমচারীর বেতন, সৈনিক বিভাগের বিভিন্ন ভাগ ৪*১-২,-বর্ণ- বিভাগের ব্যয় ছি এশার কমিটি ৪০২-৩।

চতুর্থ তাগ-__অর্থনৈতিক

রা কৃষি__জনদধ্যা কৃষির জমি, শিল্প, কযকের সংখ্যা বৃদ্ধি, ৪০৪,-জমির শ্রেণীবিভাগ ৪০৫, কষি জলবায়ু $০৯--কের শিক্ষার অভাব ৪৯৭,--ডাঃ ভোয়েলকারের গ্রতিবেদন, ৪৯৮- -সারের অভাব রপ্তানী ৪*৯। কৃষিজাত, বাণিজ্য, পাট, পাটের জমির পরিমাণ পাটের কলের : ইতিহাস ৪১, ।-পাটচাষের ইতিহাস, প্রয়োজন, | অধিক পাট উৎপন্ন হয় ৪১১,_পাটের চাষ দেশের অবস্থা ৪১২ পট |

| - কলের লাভ ৪১৩ কৃষকের সংখ্যা গড়পড়তা জমির পরিমাণ, জমির উৎপাদিকা শভিহ্াস৪১৪, -খাস্ঘশগ্ত জনসংখ্যার অনুপাতে কম, পরিশিষ্ট ১. কৃষি প্রধান পেশা ৪১৫, পরিশিষ্ট ২, ভূমিহীন দিনমজুরের সংখ্যা, কুকের সংখ্যা জমির পরিমাণ ৪১৬,_-পরিশিষ্ ৩-জমির থতিয়ান ৪১৭,__পরিশিষ্ট ৪,-উৎপন্ন শল্ত, ৪১৮-_-পরিশিষ্ট ২। জলসেচন__জলসেচনের ত্রিবিধ উপায়, মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, কুপ কৃষি ৪২৮-৯__দীঘি কৃষি ৪২৯,-খালখননের ইতিহাস ৪২৩, _জলমেচনে সরকারী বাক্তিগত চেষ্টা, জলকর সরকারী আয়, রেলপথ জলপথ ৪২৯,__খাল খননে ইং রাজদের কান্তি ৪২৫,_-জলকরের হার ৪২৬--করদরাজ্যে :সেচনের ব্যবস্থা, তিন শ্রেণীর খাল, নৌতার্যয খাল ৪২৭,_- পরিশিষ্ট ১২ | .৩। গোপালন |_গে-মহিষের সং্যা অনুপাত ৪৩০১)

_ ছধের অভাব স্বাস্থ্যহাঁনি ৪৩১,--গোঁজাতির অবনতির কারণ, (১) পঞ্ুধাস্ত গোচারণ. মাঠের অভাব ৪৩২/-(২ ) ভাল, জাতের ষাড়ের অভাব, (9) গো-মৃত্যু ৪৪৩১ গো- মৃত্যুর কারণ ৪১৪-৫।

৪। শিল্প বাণিজ্য ।_বন-বিভাগ ৪৩৬৮ গঁদ জাতীয় সামগ্রী ৪৩৮-৪১,--লাক্ষ। ৪৪১-২,- মৌম ৪৪৩, স্নেহ পদার্থ ৪৪৩-৪,--- উদ্ডিজ্ঞ-তৈল ৪৪৪-৮,--উদ্ধায়ী তৈল ৪৪৯,৫২,--তৈলবীজ,তৈল খৈলের রপ্তানী ৪৫৩,-রউরেজ ছিপি কর্ম ৪৫৪-৬,প্রাণীজ শিল্দামগ্রী, চামড়া ৪৫৭,--আশশাল জিনিষ, তুলা ৪৬১ তুলার হিমাব, তুলার ইতিহাম ৪৯২,_কাপড়ের কল ৪৬৩-্ৃতা কাপড়ের আমদানী ক্তানী ৪৬৪,বন শিলে ইতিহাস ৪৬৫,_ইংলগ্ডের সংরক্ষণনীতি,প্রতি-

যৌগীতার ফল ৪৬৬__ইংলগ্ডের অবাধ বাণিজ্যনীতি, ভারতের বাণিজ্য শ্ন্ধ ৪৬৭, - দেয় বনতুশিল্পের উপর সত ১৬৮-৯,-_বঙগচ্ছেদ বন্শিল্পের

রঃ ১15 9

রক্ষা, তাঁতের কাপড়, ৪৭*-১১-_নারিকেল ৪৭১-৩,_কাগজ তৈয়ারী ৪৭৩-৬,- রেশম ৪৭৭- খষধাদি শিল্প ৪৭৯, খাগ্ সামগ্রী, চা ৪৮১। .

€। খনিজ শিল্প ।__কীচ কীচের জিনিষ ৪৮৪-৭ _ ভারতে কাচের আমদানী ৪৮৮ ,_ পরিশিষ্ট যুরোগীয় কারবার ৪৮৯-৯০)-- কাপড়ের কলের হিসাব ৪৯১ , পাটের কলের হিসাব ৪৯২,-_পাট' রপ্তানী, পাট- “কলের লাভ ৪৯৩ |

৬। খনি ধাতু |__ভারতের হ্যা, প্রাচীন ভারতের ধাতৃশিল্প ৪৯৪,কয়ল ৪৯৫-৫০০_পেট্রোলিয়াম ৫০১-৫,লৌহ ৫০৫-১২১- ম্যাঙ্গানিস ৫১২, ক্রোমিয়াম ৫১৩১- টাঙ্গমটন বা ওলফ্রাম, ্র্ণখনি ৫১৪- -৬,_টীন ৫১৬, -তীত্র ৫১৭,--সোগা রূপা ৫১৮ আলুমিনিয়াঘ ৫১৯, পাথুরে চুন ঘুটং ৫২০,-খনিজ রঙ ৫২১/-- অভ্র, আস্বেসটদ্‌ ৫২১-২,_ স্যাগনেসাইট ৫২৩,মৌরা চীনীমাটি ৫২৪,কিটকারী ৫২৫, লবণ, সৈদ্ধব লত্বর হদের, সামুদ্র ৫২৫৬ মণিমাণিক্য, প্রসিদ্ধ হীরক ৫২৬।

বাঁণিজ্য-__ প্রাচীনকালের বাণিজ্য, বাণিজ্যের কেন্্র ৫২৭, হিন্দুদের উপনিবেশ, মধযুগের বাণিজ্য ৫২৮ বর্তমানের বাণিজ্য, ইস্ট ইণ্ডিয়। কোম্পানী ৫২৯.৩৯১--ভারতীয় বিলাতী বাণিজ্যের প্রতি- যৌগীত। ৫৩০-১,--রেলপথ জলপথ বাণিজ্যবিস্তার ৫৩১-৩_ দেশীয় জাহাজের. ইতিহাস ৫৩৩-৫,_-মাথাপিছু বাণিজ্যের ভাগ ৫৩১,--আমদানী রপ্তানীর সামগ্রী ৫৩৭-৮-_আত্তর, সীমান্ত উপকূল্য বাণিজ্য ৫৩৮৯, _-দেশহিসাবে বাণিজ্য ৫৩৯,_জাপানের উন্নতি ৫৪০,_-বুটিশ বাঁণিয্- নীতি, ভারত সরকারের আপত্তি ৫৪১- উবু নীতি অবাধ বাণিজ্য নীতি ৫৪৩।

ভারত পরিচয়

ভাবে সারি সারি খাড়া আছে যে, সেখান দিয়! কাহারো প্রবেশ সহজ নহে। পূর্বদিকে থাকে-থাকে পাহাড় উত্তর-দক্ষিণে লা হইয়া বহুদূর পর্য্যন্ত বিদ্ৃত। পশ্চিমদ্দিকে হলা সুলেমান প্রসৃতি পর্বতশ্রেণী আফগনি- স্থান বেলুচিস্থানের মধ্যে দাঁড়াইয়া আছে। ভারতের দক্ষিণে ভারত- মহাসমুদ্র, সে সমুদ্রের কুল নাই; প্রত্যক্ষভাবে কোনো! রাষ্ট্রের সহিত ইহাঁর যোগ না থাকিলেও পরোক্ষভাবে জলপথ দিয়া সকল জাতির সহিত যোগা- যোগ সম্ভব হইয়াছে।

ভারতবর্ধকে বাহিরের পৃথিবী হইতে প্রক্কৃতি:ছুই উপায়ে পৃথক করিয়৷ রাখিয়াছে। ভারতের উত্তরাশ তিনদিক হইতে পর্বতের দ্বার এমনভাবে বেষ্টিত যে, হঠাৎ কোনে। জাতির পক্ষে সেদিক দিয়! প্রবেশলাভ সহজসাধ্য নহে দাক্ষিণ!ত্য অসীম সাগর দিয়া ঘেরা,_বাহির হইতে সমুদ্রপথে কাহারও আস! বহু শতাব্দী পর্যান্ত স্বপ্নেরও অগোচর ছিল সমুদ্রের দিক্‌ হইতে ভারত যে নিরাঁপ্ নয়, বুরোপীয়দের আগমনের পর হইতে তাহ! বুঝা গিয়াছে

ভারতের ভূপ্রকৃতিকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করিয়া তাহাদের আলোচনা করিব।. ১। পরৰ্ত। ২। উপত্যকা ৩। মাঁলভূমি।

ভারতের উত্তরস্থিত হিমালয় পর্বত মাত্র একটা পাহাড় নয়; অ্ংখ্য পাহাড় থাকে-থাকে উঠিয়। গিয়াছে, ইহার মাঝে ম|ঝে প্রকাণ্ড উপত্যকা; সে সকল উপত্যকায় যুরোপের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুই একটি দেশ থাকিতে পারে। এই সকল উপত্যকায় যে জাতির বান করে তাহাদের রীতিনীতি, ধর্ম-বিশ্বাস, ভাব, ভাষ| সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান নিতান্তই পরিমিত। হিমালয় পূর্ব পশ্চিমে প্রায় দেড় হাজার মাইল, প্রস্থেও গড়ে প্রায় ছুইশ' মাইল। ইহাঁর উচ্চতাঁও সব জায়গায় সমান নহে। ইহার পাদমূলের উচ্চতা ৫** ফিটের উপর নয়

ভারতের প্রাকৃতিক অবস্থ

হিমালয়

- কিন্ত সর্বোচ্চ শিখর ২১ হাজার ফিট উচ্চ। ইহার তলদেশে তরাইএর বিখ্যাত বন_উপরে তৃণশূন্য প্রাণিশূন্য চিরতুষার। সুতরাং এত বড় পাহাড়ের নান! অংশে যে নানারপ জলবায়ু, নানারূপ উত্ভিদ্‌ প্রাণী থাকিবে তাহাতে আর আশ্চর্য কি। সেইজন্ত শীতপ্রধান স্থানের বক্ষাদি জীবজন্ত এবং মধ্য আফ্রিকার ্তায় উষ্ণ প্রধান স্থানের প্রাণীসমূহ হিমালয়ে দৃষ্ট হয়। তরাইএর বনের প্রধান বৃক্ষ, শাল, শিশু, খদির, আবলুস এবঃ কার্পাস। হিমালয়ের পূর্বাংশে হস্তী, গণ্ডার বন্য মহিষ, রর নানা প্রকার পঙ্গী, কীট পতঙ্গ নানা প্রকার সরীস্থপ বাস করে।, পশ্চিমাংশে পাইন, অর্জুন, সেগুণ এবং দেবদার বক্ষ প্রচুর পরিমাণে জন্মে পা উ্ধ অংশে চাঁমরী গরু, কন্তুরিকা মুগ, বন্ঠ ছাগ মেষ, ভন্ুক নানা প্রকার শিকারী পক্ষী দৃষ্ট হয়। হিমালয় ভারতের আর্ধযসভ্যতাকে মোঙ্গলীয় প্রভাব হইতে রক্ষা করিয় যুগযুগান্তর ধরিয়। দাঁড়াইয়া আছে; তথাচ নূতন মানুষের সঙ্গ পাইবার জন্ত ব্যস্ত হইয়৷ এই পর্বতপ্রমাণ বাধা কাটাইয়৷ বনু পথিক উপত্যকা দিয়া গতীয়াত করিয়াছে। তিব্বত হইতে উঠিয়া শতগ্র নদ যেখানে ভারতে প্রবেশ করিয়াছে -দেইথান দিয়া একটি গিরিসম্কট আছে। ইহারই সম্মুখে শিম্লাশৈল--ভারতদাআাজ্যের শাসনকেন্ত্র। দ্বিতীয় পথ আলমোরা নৈনীতালের নিকটবর্তী। স্থৃতরাং রাজনৈতিক দিক হইতে 'র ছুটি স্থানের বিশেষত্ব খুব অধিক। তৃতীয় পথ শিকিমের ভিতর দিয় বাংলাদেশে আসিবার জন্ত.। এখান দিয়া তিব্বতের রাজধানী লাসাতে যাওয়া যা়। এই পথের সম্মুখে দার্জিলিং। দার্জিলিং যে কেবল মাত্র বায়ু পরিবর্তনের স্থান তাহ! নহে, রাজনৈতিক দিক হইতে ইহার বিশেষ সমধিক। হিমালযের এই তিনট প্রধান গিরিসঙ্ঘট বর্তমানে খুবই ুদুঢ এই সকল স্থানে সর্বণাই অনেক 'দৈত্ত থাকে। স্বতরাং দে. পথ দিয় কোনো বিপদের সম্ভাবন। নাই? 0

রা ভারতের পশ্চিমদীাত্ত ইতিহালে চিবিখ্যারত। এখানকার পাহীড়- গুলি তৃপশূন্য বায়িশূন্য মরুতূমিসদৃশ, পূর্ব্দিকের একেবারে বিপরীত আফগনিস্থানের বন্ধুর পার্বত্ভূমি হইতে ছুই কটি মাত্র নদীয় ধারা ভারতে প্রবেশ করিয়াছে। যেখানে কাবুল নদী পাহাড় ভেদ . করিয়াছে, সেখানে থাইবার, গিরিসঙ্কট পশ্চিম হইতে অনেকেই এই পথে ভারতে প্রবেশ করিয়াছে। এই গিরিসঙ্কট তেদ করিয়া বোধ হয় আর্চগণ ভারতে প্রবেশ করিয়াছিলেন; এই দ্বার দিয়াই শক্‌, হুন, যুকি শ্রীক্গণ আসিয়া" ছিল। এই পথ দিয় পাঠান আসিয়া ভারতে নূতন ধর্ম দিয়াছে, মোগল আসিয়া নূতন সভাতা স্থষ্টি করিয়াছে। স্থৃতরাং ইতিহাসে পশ্চিম দীমাস্ত স্থপরিচিত। সেইজন্ত ভারত সরকার এই দ্বারটিকে ন্মদৃ করিবার ন্ত বু কোটি টাকা বায় করিয়াছেন এখনো! গ্রতি বংসর করিতেছেন। এই পথ ব্যতীত আরও কয়েকটি পথ আঁছে। তাঁহাদের মধ্যে “বোলন গিরিসম্কট সমধিক নিখ্যাত। কিন্তু বৌলন-পথ ভারতে প্রবেশের পক্ষে আদৌ অনুকূল নৃহে। ইহার কারণ তাহীর উতয় দিকে মরুভূমি-- একদিকে বেলুচিন্থীনের মরু, অপর দিকে সিন্ধু রাঁজপুতানার “থর”; আসিবার পথে মরুভূমি, গিরিসম্কট পার হইয়া ভারতে প্রবেশ করিয়াও আবার মরুভূমি; সুতরাং বাহিক্নের শক্রর লোঁভ করিবার মত এপথে কিছুই নাই। নানা কারণে ভারতের সীমান্ত বহদুর পর্যন্ত বিস্তৃত হইয়া পড়িয়াছে। এখন বেলুচিস্থানের মালভুমিতে সীমান্ত রক্ষার ব্যবস্থা হইয়াছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্ত দুরারোঁহ পর্বত দ্বার! বেষ্টিত না হইলেও দূ্ভেন্থ অরণ্য অসভ্য জাতির ছারা সমপূদিপে রুদ্ধ। পূর্বদিকে পাহাড়গুলি উত্তর হইতে দক্ষিণে সমস্রালে বিস্তৃত মানচিত্রের দিকে দৃষ্টিপাত করিলে বেশ বুঝা, যাইবে যে, তিঝাতের ূরবপ্চদ ্থ-পাহাঁড়গুলি পৃথিবী সথট হইবার সময়ে যেন

পশ্চিম সীমান্ত

পূর্ব সীমান্ত

পরারতিক অবসথ মোচড় খাইয়া বাকি বর্মাদেশে উত্তর-দক্ষিণে লক ছুইয়া' গিয়াছে |. সমগ্র উত্তর বর্ষা পাহাড়ে পরিপূর্ণ? ছাড়! পূর্বদিকে খুব বৃষ্টি হয় বলিয়। এখানকার পাহাড়গুলি বনে পরিপূর্ণ এখানকার গছনবন দুলা প্বতশ্রেণী পার হইয়া ভারতবর্ষের মধ্যে প্রবেশ লাভ করা কঠিন ব্যাপার? সেইজন্য দেখা যার, ভারত.ইতিহাসে যাহাকে দেশ-আক্রমণ বলে তেমন ব্যাপার পুর্বদিক হইতে কখনো হয় নাই। তবে মোঙ্গলীয় গীতজাতির অনেকগুলি শাখা ছাকুনীর ভিত্তর দিয়! ছুই চারিটা কণার মত বাংলাদেশে: প্রবেশ করিয়াছিল। মণিপুরী, তিপ রা, লুশাই, খাশিয়া, নাঁগা, গারো, প্রভৃতি তাহাদের নিদর্শন। আসামের উত্তরপূর্ব কোণ সম্বন্ধে ইংরাজ সরকারের জ্ঞান বহুকাঁলাবধি নিতান্তই কম ছিল, অথচ 'সেইখানেই চীন সাধাষণতন্ত্রের রাজ্য আরম্ত হইয়াছে। কয়েক বংসর পূর্বে সেখানকার “আবর” নামে এক আদিমজাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধীভিযান পাঠাইয়। ব্রিটাশরাজ এই পুজীভূত অন্ধকার দূর করিয়াছিলেন।

বছুকাল পূর্বে--কত লক্ষ বৎসর পূর্বে তাহ! কেহই জানে না__

ভিমালি় সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত ছিল। শিমলার নিকটস্থ শিবালিক পাহাড়ে যে

অসংখ্য সামুদ্রিক প্রাণীর কঙ্কাল পাঁওয়! গিয়াছে, _ তাহার অনেকগুলির নিদর্শন কলকাতার যাদুঘরে আছে। দাক্ষিণাত্য তখন উত্তরভারত হইতে পৃথক। অনেকে অনুমান করেন, আফ্রিকার সহিত তখন ইছার যোগ ছিল। হিমানয-পাছাড়ধোয়া মাটি ক্রমে ক্রমে সাগর ভরিয়| পঞ্জার, সিদ্ধ, গ্জা-উপত্যকা আসামকে দীরে বীরে গড়িয়া তুলিয়াছে।

হিলুস্থানের নদীগুলি দেশগঠন ধ্বংসের কার্য একাধারে করিতেছে। এখানকার নদীগুলি উ্ভ পর্বতের মধ্য দে টরোগ বনজ জেত্রে নামিয়া আসে। তা ধসাই

সমল ভূমি নদী

ইহার ১৮* মাইল দৈ্ধোর মো ৮৬৪ ইল পাহাড়েই অবস্থিত) এই পথ আসিতে সিন্ধু ১৪০৭ ফিট নামিয়াছে এবং তাহার পরে অর- শিষ্ট ৯২ শত মাইল ২০০* ফিটু মাত্র নামিয়াছে।, পঞ্জাবে (সিন্ধুনদের সংহারমূত্তি_সিদুপরদেশের ব্দীপে তাহারই হজনমৃত্তি দেখা ষায়। আলিকজেও্ারের সময়ে সিশ্কুর মোহন! যেখানে ছিল, এখন সমুদ্র সেখান হইতে অনেক দুরে। দিন্ধুর অন্ঠান্ত উপনদীগুলিও সিল্ধুর যায় ধবংসকার্যয করিতে নিপুণ বটে তবে গড়িবার শক্তি ইহাদের নাই। এইজন্ত পঞ্জাবে প্রাচীন আর্যদের কোনো কীত্তিচিহ্ এখন দেখিতে, পাওয় যায় না, সমন্তই নদীগর্ভে বিলীন হইয়াছে

_ হিনদুস্থানের একটি পর্বত উত্তরভারভের নদীপথের ধারা বালাই দিয়াছে | শিবালিক পর্বত মধ্যে থাকায় শতদ্র গঙ্গ। খুব কাছাকাছি স্থান দিয়া ্রবাছিত হইয়াও বিভিন্ন দিকে গতি লইয়াছে। হিমালয়ের দক্ষিণ হইতে: গঙ্গা যমুনার উৎপত্তি। পাহাড়ের মধো প্রথম ১৮০ মাইল পথ' আসিতে গঙ্গা প্রায় ১৩ হানার ফিট নামিয়াছে। তাহার পরই সমতল তুমি; সেই ১৩৭০ মাইল পথে গঙ্গা হাজার ফিট নামিয়াছে। সেইজন্ এখানে ইহার গতি মন; বাংলাদেশে আসি! প্রতি মাইলে ইঞ্চি মাত্র নামিয়াছে। এবং কলিকাতার ক্ষিণে সে বেগ আরও হাস পাইস়াছে। গঙ্গার পলিতে দক্ষিণ বঙ্গ গঠিত হইয়াছে আজও সুন্দর (নু'দোর) বনের বনধীপ নির্শিত হইতেছে বাংলাদেশের এই গঠনকার্ধ্ে আরও অসংখ্য নদীর মধ্যে ্্ষপু্রের স্থান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তিব্বত হইতে এই নদী উঠিলেও জলপথে তিব্বত হইতে এদেশে আদা-যাওয়া করা যায় না। : ইহার কারণ ভিব্লত অতি উচ্চ মালতৃমি; দেখান হইতে আসামের কোধে যখন রষপুত প্রবেশ করে তখন সেখানকার জলজোত খুবই প্রখর হয়। এই নদী প্রচুর মৃত্তিকা আনিয়া বল দেশকে গড়ি তুলিতেছে। কিন্তু গঙ্গা একদিকে ফেনসড়িজেহে সঙ্গে মগ

3০ ০, উদে০ চি

স্টিত

বিশাল জলরাপিতে গ্গ! র্‌ নং ধারা পড়াতে: গঙ্গার ৰ্গ কিছুৎংপরিমাণে বাধাপ্রাপ্ত হইতেছে ফলে ইহার পলিমাটি. বাং ংলাদেখের অন্থান্ ছেটি

খাটো নদনদীর- গর্ভ ভরাট করিয়া জলের পথ বন্ধ-করিয়। দিতেছে। ইহার . ফলে বাংলায় জল চলাচলের, প্রাকৃতিক পথগুলি বন্ধ হইয়া আদিতেছে

ঘনুস্থানের সকল, দাই যে হিমালয় হইতে উদ্িাছে তাহা নহে মধ্য-ভারতের মালভূমি হইতে অনেকগুলি নদী গঙ্গ। যমুনায় অসিয়! পড়ি যাছে। হবে তাহাদের প্রকৃতি অগ্যননপ; বৃংদরের অধিকাংশ সময়েই র্‌ দের অনৃগ্ত জলধারা বালুরাশির মধ্য দিয়া বহিতে থাকে; বর্ধাকালে চারিদিকে মৃত্তিকা-মিশ্রিত জলরাশি লইয়া ইহারা ক্ষিগ্রবেগে ছুটিয়া চলে। এই সকল নদী নৌতার্্য নহে, কারণ বর্ধাকালেই ইহাদের, আত প্রবল, অন্ঠান্ত সময়ে জল এত অল্প থাকে যে ইাটিগা নদী পার হওয়া যাঁয়।

হিন্ুস্থানের নদীগুলি কৃষির খুব বড় সহীয়। অনেক নদী বর্ষাকালে কূল ছাপাইয়া বৃহুদূর পর্বাস্ত ভিজাইগা দেয়; অন্ত অনেকগুলি হইতে কৃত্রিম উপায়ে জল ক্ষেত্রে সিঞ্চন করা যাঁয়। এই সকল নদীর মৃত্তিকা পাহাড় হইতে আসে বলিয়া খুব তাজা সারের কাঁজ করে। এছাড়া হিন্দস্থানের বিশেষতঃ বাংলা দেশের নদীগুলি বড় রাজপথ বিশেষ গঙ্গার প্রীয় হাজার মাইল (কাণপুর পর্যন্ত) নৌকা করিয়া যাওয়| যার। কিন্ত সিন্ধুর মোহন! হইতে চার মাইল মাম নৌতার্ধয। ;এদিকে ব্রদ্পুতর, বাহিয় ভিতরগড় পর্যন্ত নৌক! এমন কি বড় বড় জাহাজও যাইতে পারে। |

এক কালে এই সকল নদীই ছিল ভারতের বাণিজ্যের পথ ছোটখাটো বণিক ব্যাপারীরা গ্রামের জিনিষ সংগ্রহ করিয়া ছোট নৌকা বা পান্ধী করিয়া নিকট হাটে যাইত; আবার বড় বড় ব্যবদাযীরা গ্গা- তীরস্থ তীর্থস্থান ও. রাজধানীগুলিতে বাণিজাসস্তার লইয়া উপস্থিত হইত। ধর্তমানকানে নদীপথে থে. বাণিজ্য চলে তাহা নিতাস্ত সামান্ত না. হইলেও সমগ্র বাণিজ্যের ভূয় তুঙ্ছ। এখন রেলপথেই অধিক বাঁণিজ্য

চে ৯: হি

চলে। গতর ' প্রধান অস্থবিধা (১) বাবসায় কারবারী আকারে করিতে গেলে ছোট ছোট নৌকা করিয়া জিনিষপত্র আনা-লওয়া পোষায় নাঃ অথচ বড় বড় ট্রিমার অধিকাংশ নদীতে চলে না। (২) নদীগুলির

পথ ঠিক থাকে না, ইহারা গ্রায়ই পথ পরিবর্তনকরে। . প্রাচীন হিনুস্থানের সভাতার কেন্দ্র পঞ্চনদ না হইয়! আর্যাবর্ত কেন হইল, একথ| অনেকের মনে উদ্দিত হইতে পারে। ইহার একটা ভৌগলিক কারণ আছে। পঞ্জাবে দুই কারণে কোন জিনিষ

আঁধ্যবর্তের ভূ-প্রকৃতি

ইতিহাস চিরস্থায়ী হইতে পারে না। প্রথমটি প্রাককৃতিক__ সেখানকার নদী সমুহের অস্থিরতা দ্বিতীয় হইতেছে রাজনৈতিক "খাইবার গিরিস্বট সুরক্ষিত ন! থাকায় জাতির পর জাতি এখান দিয়! গ্রবেশ করিয়াছে; পঞ্জাব ছিল তাহাদের শিবির রপক্ষেত্র। কিন্তু আর্য্যাবর্ত বা গঙ্গা-উপত্যকায় প্রবেশ করা৷ সহজ নহে; এখানকার প্ররেশদ্বার সন্ধীর্ণ। রাজপুতনার মরুভূমি আরাবল্লীর পাছাড় একেবারে দিল্লীর উপকণ্ঠ পর্যন্ত বিস্তৃত; অপর দিকে শিবালিক দক্ষিগে বহুদূর প্যাস্ত নামিয়। আসিয়াছে; ন্গৃতরাং ইহার মাবখানে ষে জায়গাটি আছে তাহা নিতান্তই মঙ্কীর্ণ। এইস্থানটাই প্রাচীন ইন্্রপ্রন্থ_-বর্তমান যুগের দিল্লী মুগে যুগে এইখানে ধিনি রাজা হইয়াছেন তিনি বাঁহিরের শত্রুকে বাধ! দিতে সমর্থ হইয়াছেন; লোকেও তাহাকে রাজচক্রবর্তী বলিয়। মানিয় লইতে কুঠা বোধ করে নাই। এই দিল্লীর পতনের সে সম হিন্ুস্থানের পতল হইয়াছে। ইহারই নিকটে তারভের বিখ্যাত যুন্ধগুলি হইয়াছে। কুরুক্ষেত্র, থানেশ্বর, ফতেপুর শিক্রি, গাঁনিপথের তিনটি যুদ্ধ সবগুলি ্বি্লীর নিকটে সেইজন্ত মুমলষানর! আঙিয়া দি্পীতে রাজধানী করিয়াছে, ইংরাজও অবশেষে সেখানে রাজধানী উঠাইয়। লই গিয়াছেন। প্রান্তিক ভুগোলের মহিত ভারতের ইতিহালের সম্বন্ধ থে ক্মাডেছ্ ছাই ভাহার অন্যতম উদ্দীহরপ |,

দাক্ষিণীত্য খুব গ্রীন: দেশ এখানকার উচ্চতা! গল্কে প্রায় তিন হাজার ফিট। এই উচ্চত। ক্রমেই দক্ষিণের দিকে বেশী। তিনটা পর্বত _. শেনী এখানকার তপ্রক্কতির সবচেয়ে বড় বিশেষস্ব। বিন্বযাচপ ভারতের কটিবন্ধরস্যায় দাড়ায়! দাক্ষিণা- তাকে আর্ধ্যারর্ হইতে: সম্পূর্ণ পৃথক করিয়। রাখিয়াছে। পূর্ব পশ্চিম- ঘাট নীলগিরি পাহাড়ে গিয়া মিশিয়াছে। এখানে একদিক হইতে আর একদিকে যাইতে হইলে পাঁলঘাটের গিরিসন্কট দিয়! যাইতে হয়। মোটের উপর দাক্ষিণাত্য বন্ধুর পার্বত্য পশ্চিষবাঁট পূর্বদাট অপেক্ষা অনেক উচ্চ। এখানে বৃষ্টি কম, দেশ বন্ধুর বলিয়া নদীগুলিও তেমন ভাল হুইন্তে পারে নাই। নর্মদা তান্তী ব্যতীত গৌদাবরী কৃষ্ণা, কাঁবেরী প্রভৃতি সমস্ত নদীই বঙ্গ নাগরে গিয়। পড়িয়াছে। এখাঁন- কার নদীগুলি গ্রশ্রবণ রূপে নি়ভূমিতে পড়াতে এই বিপুল শক্তিকে কাজে গাটাইবার চেষ্টা হইতেছে। মহীশ্র রাজমরকাঁর কাবেরী জলপ্রপাতের সাহায্যে বৈচ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন করিয়া তাহ বহুবিধ কাঁজে লাগাইতেছেন। দাক্ষিণাত্যের মালভূমি কৃষির পক্ষে অনুপযোগী হইলেও খনিজ পদার্থে সম্পদবান। কিন্তু শিল্পোক্নতি কেবল থনিজের উপর নির্ভর করে না; থনি- গুলি সহজে মনুযাগমনৌপোযোগী স্থানে অবস্থিত হইবারও প্রয়োজন আছে। কিন্তু দাক্ষিণাত্যের প্রধান ক্্থুর্ধা এই যে খনিগুলি সমুদ্র উপকৃল হইতে 'অনেকদুরে ; তারপর নিকটে বড় নদী নাই এবং নৌতার্যয খাল করিবারও ন্ুবিধ! কম। রেলওয়েই একমাত্র পথ; কিন্ধ জমি রনুর ও: সমগ্র দেশ পার্বত্য বলিয়া! রেলপথ নির্মাণের খরচ খুর বেশী পড়িয়া যায়। . সকল অঞ্চলে. লোকদ্ধনের বাদ, রুম আবন্তান্য প্রক্কারের কারবার না থাকা খরচের মযস্ক চাপ খদ্দিদারদের উপর পড়ে; সেই জন্য লাভের ভাগ খুব কমই থাকে। এছাড়া আর একটা অন্ুবিধা এই যে ভারতের খনিগুলি তেসনভাবে দেশের নান! স্থানে ছাড়াইয়। নাই-_একস্থানেই

াঙ্িণাতয

১০ ভারউপরিচয় আবদ্ধ; ফেমন_ভারতের কালার শতকরা ৯০ ভাগ রাণীগঞ্ বরিয়াতে আছে। এইরপ অসামঞজমা শিরোতির খুবই অন্তরায়।

অমুদ্রোগকূল থাক না থাকা বকা আমাদের পক্ষে অবাস্তব ছিল। নী আগমনের পূর্বে সমুদ্র হইতে বিপদের আশঙ্কা কেহ কখনো | করে নাই। ভারতের উপকূল নিতীত্ত অন্ন নহে, কিন্ত তাঁল বন্দর হইবার মত স্থান দেখানে খুবই কম। উপ- কুগ খাকিলেই যে তাহা! বর নির্মাণের অনুকূল হইবে তাহা নহে। বাং দেশের দক্ষিণে সমুদ্রের উপকূল থাকিলেও উপযুক্ত বন্দর নাই। উট্টগ্রা একটী বড় বন্দর বটে; কিন্ত বাংল দেশের এক কোণে থাকাতে তাহার পপ সুবিধা ব্যবদারীর! পাইতে পারে নী। সুন্দরবনের নদীনালা দিয় সুদ্রগামী জাহীঞ্জ আসিতে পারে না; এমন কি কলিকাতার বনদারেও ' বড় বড় জাহাজ: প্রবেশ করিতে কষ্ট পার। গঙ্গানদীর মোহনায় অত্্ত চর পড়ে বলিয়া সেখান দিষ্া আসা-ধাওয়। খুব কঠিন। বিশেষজ্ঞ

ব্যতীত দমূদ্রগামী জাহাজগুলিকে পথ দেখাইয়া কেহই আঁনিতে

পারে ন|। এছাড়া পূর্বে বলিাছি বাংলাদেশের নদনদীগুলিতে বালি পড়িয়া ভরিয়া আমিতেছে। গঙ্গার এই অন্বিধার সনদে রাতদিন সংগ্রাম করিতে হইতেছে দ্রেজিং মেশিন দিয় জল ঘুলাইয় নদীগর্ভকে ঠিক রাখিতে হইতেছে। এই সব কারণে কলিকাঁতার বদর রক্ষা করা খুব ব্য়সাধ্য বাপার। এসব ছায় বঙ্গোপদাগরের ঝড়ও বদর হইবাঁর পক্ষে বড় রকম অন্তরায়। | |

মাদ্রাজের করম কি ঝড়ে উৎপাে, ভাল বদর ধা করা সুকঠিন। মাদ্রান্গের উপকূল আমশঃ [সাগরের মধ্য প্রবেশ করাতে বহদূর পর্যন্ত সাগরের জল 'ত্ান্ত কম -মেইজন্য জাহাজ: তীরে আিতে পারে না?

পশ্চিম উপকূলে পশ্চিমধাটি পাহাড়: লাগর হইতে প্রায় খাড়। হইয়

মমুদ্রে।গকূল

2 ধবল দিছি রিনাত, তি উল হি

উঠিরাছে। এই উপকূলে বারা মাদার জুবিধা কম। বর্তমানকালে কেবলমাত্র বদ্ধে প্রাচীনকালে বরোচ ৰা বর রা নর বিয়া খ্যাতি লাঁভ করিগাছে | |

২. জলবায়ু

ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে বিচিত্র জলবায়ু দেখা যায়। পৃথিবীর আর কোথাও এমন বৈচিত্র্য, দেখা যায় কিনা সন্দেহ। বরের একসময়ে হিনুস্থানের এক অংশের ক্ষেত, খাল, বিল জলে ভরিয়া উঠে, অপর অংশে সপ্তাহের পর. সপ্তাহ মাসের পর মাস বৃষ্টির মুখ দেখা যায় না! বর্ধার সময়ে পার্বত্য প্রদেশে সমুদ্রুতীরে বায়ু. জলকণাঁয় পূর্ণ হয়; আর শ্রীন্ম ব' শীতকালে শৈত্যের নাম গন্ধ পাওয়া যায় না।

ভারতের শ্্মা সম্পদ দক্ষিণের সমুদ্র হইতে যে হাওয়া আসে তাহার উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে। মৈশ্গুম বাযু বৎসরে ছুইবার ছুইদিক - হইতে ভারতে বহিয়া আসে। - ইহার মধ্যে উত্তরপূর্ব দিকের বায়ু শীতকালে বহে। তখন হাওয়া: অত্ান্ত শুষ্ক এবং বৃষ্টির পরিমাণও নিতান্ত অর হয়। শীতের বৃষ্টি পঞ্জাবের শস্তের পক্ষে খুব প্রয়োজনীয় ; মাদ্রাজেও বৎসরে এই একসময়েই বৃষ্টি হয়। দক্ষিণে-বাতাস ফান্তন মাঁদ হইতে এদেশে বহিতে আরম্ভ -করে। কিন্তু জলকগাসমেত বায়ু আসিতে আরও তিন মাস কাৰিয়া যায়।.. সেই বৃষ্টি আর হয আমাঢ় মাসে এই বর্ষা দৃক্িণে্াওয়া প্রায় আঙ্িন মাস পর্যন্ত ঈলে। দে সময হইতে হাওয়া দক্ষিণ পথ ছাড়িয়া উত্তর পথ নিয় আসিতে স্থুরু করে) এই পথগরিবর্তনৈর “সময়ে আই্গিনে্ঝড় হয়। এবং দীতকাল হইতে

মৈ্থমবাযু

১২ ভারভ-পারচর় হা

বর্ষাকালে বাযুর গৃতিপরিবর্তনের মময়ে বাংলাদেশের বিখ্যাত কালবৈশাখী ঝড় হয়। | |

দক্ষিণের মৈমুম বায়ু দৃাক্ষিণাত্যে লাগিয়৷ ছুই ভাগে বিভক্ত হইয়া

যায়। ইহার একভাগ আরব সাগর দিয়া বন্ষে অঞ্চলে প্রবেশ করে, অপরভাঁগ বঙ্গোপসাগর দিয়া বঙ্গদেশে বর্মাতে প্রবেশ করে। বাংলাদেশে যে-হাওয়া প্রবেশ করে তাহা কোগাকুণিভাবে প্রবেশ করিয়াই সন্ুখের খাশিয়৷ পাহাড়ে আসিয়। ধাকী পায়। প্রথম ধাঁকা সেখানে লীগে বলিয়। চেরা পুঞ্তীতে এত টি য়। এই জায়গাঁটিতে বৎসরে গড়ে ৪৬* ইঞ্চি বৃষ্টি হয়। ১৮৬১ সালে ৮০৫ ইঞ্চি বৃষ্টি হইয়াছিল; এখানে একদিনে ২৫ ইঞ্চি বৃষ্টিও হইয়াছে এখান হইতে বুষ্টির হাওয়! ধাকী খাইয়া পশ্চিম দিকে চলিতে থাঁকে--এবং

_ ০০ শিসীশশীট টি সপ পপ আসিল

উত্তরবঙ্গ, বিহার, যুক্তগ্রদেশ, পঞ্জাব প্রভৃতি স্থানে যায়। মৈল্ুমবাধু

যতই পশ্চিম দিকে যায় বৃষ্টির পরিমাণ ততই কমিতে থাঁকে। ইহাতে বঙ্গদেশে ৮০৯৭ ইঞ্চি, বিহারে ৫« ইঞ্চি, যুক্ত প্রদেশে ৪০ ইঞ্চি, পঞ্জাবে ২৩ ইঞ্চি লিক্ধুতে ইঞ্চি মাত্র বারিপাতের ফল দীড়ায়।'. বাংলা দেশে বৃষ্টি নামিবার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বন্বের পশ্চিমঘাটে বর্ধা নামে। এখানে, বর্ধার চারি মাসে প্রান ১০০ ইঞ্চি বৃষ্টি হয়। দাক্ষিণাত্যে আরব সাগর হইতে মৈম্থুম বাঁযু যতই পূর্ব দিকে বহিতে থাঁকে বৃষ্টির পরিমাণ ততই কমিত্তে থাকে আরব 'লাঁগরের বাষু ফিয়ৎপরি- মাণে গুজরাটে যা এবং আরও উত্তরে পাঞ্জাবের দিকেও ঘায়। সেইজন্ পঞ্জাৰের রাঁজগুতানার পূর্বিকটাতে বঙ্গোপসাগরের আরব সাগরের উদ্্ত হাওয়া মিলিত হইয়া! যে বর্ধণ করে, তাহা নিতাত্ত কম নয়। ভার- ডের বার্ষিক বৃষ্টির শতকরা ৯৭ ভাগ এই চারি মাষে পাওয়া যায়) ভারতের ফোথায় কোন্‌ সময়ে বর্ষা নামে তাহার তান্িথ দিয়ে দত্ত হইল $--

মালাবার .. ওরাভুনা . বাংশা . ১৫ইজুন বোম্বাই |. ৪, বিহীর . ১৫ ১, দাক্ষিণাত নর সংঘুক্ত প্রদেশ

মধ্য প্রদেশ. ১০ 7, ( পূর্বাধল ) ৪.2. মধা ভারত টিক 25১ €( পশ্চিমাঞ্চল ) ২৫ ১,

রাজপুতীনা ১৫ গর্ব পঞ্জাব ৩০),

এই বৃষ্টির উপর তারতের ধনপ্রাণ নির্ভর করিতেছে ভারতের কৃষি সম্পূর্ণরূপে বর্ষার উপর নির্ভর করে। কিন্তু এই বারিপাতের পরিমাণ বংসর হইতে বৎসরাস্তরে অত্যন্ত তফাৎ হইতে থাকিলে ক্লষির বিশেষ ক্ষতি হয়। ইহাতে শন্তগুলি অসময়ে ধুইয়া যায়, নতুবা পুড়িগা নষ্ট হয়। বৃষ্টি যদি না খামিয়া কিছু কাল ধরিরী পড়িতে থাকে, তাহাতেও চাষের সর্বনাশ হয়, শ্ত পচিয়! যায়; আবার কয়েক সপ্তাহ বৃষ্টি না হইলেও শস্ত পুডিয়া যায়। সেইজন্য বৃষ্টি হইলেই ক্কষির উন্নতি হয় না_যথাসময়ে যথাপরিমীণে না হইলে ক্কষকের সর্বনাশ

ভারতের প্রদেশগুলির মধ্য গুজরাট দাক্ষিণাত্যে বৃষ্টির পরিমাণ সাধারণতঃ কম; তার উপর সকল বৎসর সমান পরিমাণ হয় না। এই কারণে এই ছুইটি প্রদেশ অল্নাভাবে ছূর্ভিক্ষে সবচেয়ে বেশী ভোঁগে। প্রদেশসমূের মধ্যে বাংল! বর্ম কথঞ্চিৎ নিরাপদ এবং এই ছুই দেশে প্রয়োজনের অনেক অতিরিক্ত বারিপাঁত হয়। ভারতবর্ষে কোথায় পুষ্টি হয় তাহার একটা তালিকা পরি শিষ্টে আবত্ত হইল। ১৯১৮ সালে ভারতের সরবত বৃষ্টি খুব কম হইয়াছে) স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ইতে ইহা প্রায় ইঞ্চি কম। কিন্তু ১৯১৭ সালে বাংলাদেশে প্রায় ২২ ইঞ্চি বৃষ্টি কম হয় এবং তারতের আর সর্বকরই বৃষ্টির পরিমাণ ৬২ ইঞ্চি বেন হয়।

বর্ষার পূর্বেও শীতের পর্বে রে মৈম্থম বাস্ুর গতি পরিবর্তনের সময় ভারতবর্ষে ঝড় হয়; কালবৈশাখী আশিনে-ঝড় |. বাংলা দেশের খুবই স্ুপরিচিত। ১৯১৮ সালে ঢাকা পূর্ববঙ্গের সর্বনাশের কথা ত” সকলেই কাগঞ্জে পাঠ করিয়াছেন। .

- ১৮৭৭ সাল হইতে ১৯০১ সাল পর্যন্ত বঙ্গলাগরে আরব সাগরে কতকগুলি ঝড় হইয়াছে তাহার একটি তালিকা নিয়ে দিতেছি) ইহা হইতে বুঝ যাইবে যে বঙ্গসাগরেই ঝড় বেশী হইয়। থাকে |

জান ফে মা মে জুন ভু সেঅ ডি

বঙ্গ সাগর * ১৩ ২৮ ৪১ ৩৩ ৪৫ ৩৪ ২৮

'আরব সাগর * * * ১৫ 3

ভারতব্ষর জলবামুর এই বিচিত্রতা ইংরাজগণ বহুকাল.হইতে পর্য্যবেক্ষণ করিয়া আদিতৈছেন। ১৭৯৬ সালে প্রথমে মাদ্রাজে জলবায়ু পর্য্যবেক্ষণ আরন্ত হয়। ইহার পর এক এক প্রদেশে এক এক সময়ে এই পর্য্যবেক্ষণ সুর হইয়াছে। ১৮৭৪ সালে ভারত সরকার যাবতীয় বীক্ষণাগারগুলিকে একত্রে বাধিয়াছিলেন”এবং প্রতিদিন ভারতের কোথায় কিরূপ তাপ, বাতাসের চাপ গতি, ঝড়ের সম্ভাবনা, কোন্দিকে, বৃষ্টির পরিমাণ কত প্রভৃতি লিপিবদ্ধ করিয়া প্রকাশ করিতে আরম্ত করেন। তারতে চারটি প্রথম শ্রেণীর ২৩১টি দ্বিতীয় তৃতীয় শ্রেণীর বীক্ষণাগার আছে। এছাড়া দামাজোর নানাস্থানে আড়াই হাজার বৃষ্টি মাঁপিবার বস্ত্র প্রতিষ্ঠিত আছে। এই মকল কেন্দ্র হইতে বারিপাত পর্যবেক্ষণ করিয়া তাহার ফল: প্রতিদিন আটটার সময়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মচারী শিমলায় গ্রেরণ করেন। সেখানে প্রতি দিন“ভারতের মানচিত্রে ইহা মুদ্রিত হইয়। প্রকাশিত হয়। কলিকাতীর আলিপুরে একটি প্রথম শ্রেণীর বীক্ষণাগার আছে। এছাড়া বে-দরকারী বীক্ষণীগারের মধ্যে কলিকাতা সেন্ট জ্যাতিযার কলেজের ন্্পা্ি বিখ্যাত।

শপ জজ

বড় বঝঞ্চ।

জববাযু ১৫ জলবায়ুর পরিশিষ্ট ভারতবর্ষের কোন্‌ মাসে কত খানি বৃষ্টি হয় £_ জ্যৈষ্ঠ নয তত ২০৬ ইঞ্চি আষাঢ় এত আবণ টু *** ১১১৭২ ভাদ্র ০88, সি আঙ্গিন: : তত ৭. অহ, ভু

কাঠিক রী ০. - 52

মতিবৃষ্টির দেশ-_ | নিয় ত্রহ্মদেশ * ২১২৩ ইঞ্চি পশ্চিম উপকূল নি উনি ইক, ( মালাবার ) .. পশ্চিম উপকূল, নি ৮১১০৯ (কোঙ্কন) আসাম তত 7... ১, ৯৮ বাঙ্গাল! (দক্ষিণ) টি ৯২৪ পূর্ব বাঙ্গালা 008৫9 প্রচুর বৃষ্টির দেশ__ 8 পশ্চিম বাঙ্গাবা . 8 & সি মধ্য প্রদেশ ( পুর্ব) 582

১৬ ভারঙ পরিচয়

মাঝামাঝি বৃষ্টির দেশ-_ | উত্তর বর্মা : 28২ ইঞ্চি মধ্য গ্রদেশ ( পশ্চিম) | মধ্য ভারত ( পূর্ব ) | | ৪৫ » মধ্য ভারত ( পশ্চিম ) রি ৩৫ ॥» মাদ্রাজ ( উত্তর ) এটিও 8০৮ সংযুক্ত প্রদেশ ১. ৩৯ বেরার তা ৩১০ গুজরাট *** **। ৩৩ বন্ধে (দাক্ষিণাত্য) £ না 882 হায়দ্রাবাদ ৮. রঃ ৩৫ , ৩৬ রর সামান্য বৃষ্টির দেশ-_ মাদ্রাজ (দাক্ষিণাতা ) রি 17২৪৮ রাজপুতান! (পূর্ব ) “** 888-4০ টি৫ পাঁঞাব (পুর্ব উত্তর ) :** ০, 4০২88 রাজপুতানা (পশ্চিম) ৮৮, টা ১২ পাঞ্জাব (দক্ষিণ পশ্চিম) ৭, 'ত সিসক | ৪? বেলুচিন্থান হু 117006181 0826806915 01. 1. [.]া. 1. না. 70118) [0019 . 07016 ৭$04. 19, 8.0. 01121--855891, 01889, 911010940-- 0%7/15006 1731? 0. চ8১91800 08০) 91 1031: 1500000,,

58108:-1590000)108 01 80৮8) [0018 (019, [)

৩।. উদ্ভিদ

ভারতবর্ষের স্তায় বড় দেশ পৃথিবীতে অনেক আছে, কিন্তু সেগুলির ভূমির প্রাক্কৃতিক অবস্থা! কতকট| একঘেয়ে রকমের, কাঁজেই সে সকল দেশের উদ্ভিদ প্রাণীদের মধ্যে অধিক বৈচিত্র্য দেখা যায় না।

ভারতবর্ষের পাহাড় পর্বত এবং শিলামৃত্তিকাতে সে রকম একঘেয়ে ভাব গ্রায় নাই বলিলেই হয়; বিভিন্ন জাতীয় উদ্ভিদ্‌ এবং প্রাণী ভারতে যত দেখা! যায়, অন্ত কোথাও দেকূপ দেখা যায় না। এখানে ১৭৬ শ্রেণীর মপুষ্পক উদ্ভিদের সতেরো হাঁজার জাতীয় বৃক্ষ উদ্ভিদ্তত্ববিদ্রা আবির করিয়াছেন। কিন্তু এগুলির সমস্তই যে ভারতের আদিম উদ্ভিদ তাহা বলা যায় না। বিদেশের সহিত ভারতবর্ষের বহুকাল হইতে যোগ আছে। এই যোগন্থত্রে তিব্বত, সাইবেরিয়া। চীন, জাগান, আরব, এমন কি সাফ্রিকা এবং ঘুরোগ হইতেও অনেক উদ্ধিদ ভারতে আসিয়া বংশ বিস্তার করিতেছে বলিয়! মনে হয়।

যাহা হউক, উদ্ভিদের প্রক্কৃতি-হিলাবে বৈজ্ঞানিকগণ সমস্ত ভারত, বর্ষে পূর্ব-হিমালা, পশ্চিম-হিমালয়, সিন্ধু প্রদেশ, গাঙ্গের প্রদেশ, মালব, দাক্ষিণাত্য এবং ব্রদ্ষদেশ,-এই সাতটা ভাগে ভাগ করিয়া থাকেন। হিমালয় এই কথাটা গুনিলে একটা বড় পর্বতের কথা আমাদের মনে পড়ে। তখন মনে হয়, ইহার সকল অংশেরই প্রাকৃতিক অবস্থা বুঝি একই। কিন্তু তীহা নয, হিমালয়ের পূর্বাংশে বৎসরে 'গ্রায় একশত ইঞ্চি বারিগাত হয়। পশ্চিমের বাঁরিপাত কদাচিৎ ৪, ইঞ্চির বেশি হ্য়। হতরাং একই পর্বতের এই দুই আংগে একই রকমের উদ্ধিনা থাকারই কথা। অনুসন্ধান করিলে তাহাই দেখা ায়।- পূর্ব-হিদালয়ে অর্কিড জাতীয় উদ্ভিদ এবং মালয়দেশ-সথলভ' গাছপালাতে পূর্ণ। পশ্চিম-হিমালয়ে

ভারতপরিচয

এগুলির প্রায়ই ন্ধান পাওয়া যায় না। সেখানকার বন জঙ্গল মুরোপীয় উদ্ভিদ এবং বাঁশ'ও ঘাস জাতীয় গাছপাঁলাতে পূর্ণ। লার্চ, ওক্‌, লরেল্‌, ম্যাগেল প্রভৃতি অনেক ঘুরোপীয় উদ্িই দ্েখানকার জঙ্গলের প্রধান বক্ষ। পশ্চিমহিমালয়ে এই সকল, উদ্ভিদ কিছু কিছু থাকিলেও সেখানে দেবদারু, সিডার প্রতৃতিরই প্রান্ধয বেশি।

দিন্ধ-প্রদেশকে মরুভূমি-বিশেষ বলিলে অত্যুক্তি হয় না। ইহার 'পূর্বদিকেই রাজপুতানার মহাঁমরু অবস্থিত। কাঁজেই সিল্ধুগ্রদেশে বৃষ্টি নিতীস্ত অল্প হয় এবং ইহার ফলে সেখানে কেবল মরুতূমি-স্ুলত গাছপালাই অধিক দেখিতে পাওয়া যাঁয়। বড় গাছের মধ্যে দীর্ঘপত্রী পাইন্‌ এবং শালই প্রধান। তা ছাড় শিমুল, লজ্জাবতী, কয়েক জাতি বীশও স্থানে স্থানে জন্মে। জলসেচনের সুব্যবস্থা করিলে সিন্ধু প্রদেশে সুখাছ্ধ ফলের গাছ জন্মানো কঠিন হয় না

ভারতবর্ষের যে অংশটী গাঙ্গেয় ভূখণ্ড বলির প্রসিদ্ধ সেখানে শীতাতপের বৈচিত্র্যের সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেক স্থানেই বিচিত্র গাছপালা দেখা যায়। ইহার পূর্বাংশে বৎসরে প্রায় ৭৫ ইঞ্চি বারিপাত হয়, কিন্তূ পশ্চিমের বারিপাত ১৫ ইঞ্চির অধিক হয় না। বঙ্গদেশের শু স্থানে ্রীক্মকাঁলে অনেক গাছেরই পাতা বরিয়া যায়, এমন কি ঘাঁস পর্যন্ত শুকাইয়া যায়।- ভূষি ক্ষারবহুল বলিয়াই উদ্ভিদের এই হুর্দশা। বন্নদেশের পশ্চিম প্রান্ত হইতে যতই পূর্বদিকে যাওয়া যায়, সরস ভূমিতে উদ্ভিদের প্রাচ্য ততই লক্ষিত হয় এবং শশ্তক্ষেতরের শ্টামলত! দর্শকমান্রেরই সি আকর্ষণ করে। আম বট তাল জাতীয় উদ্ভিদ এবং বাশই এই সকল স্থানের প্রধান বৃক্ষ। চাপা, শিমুল প্রভৃতি জাতীয় অনেক বৃঙ্ম এবং নানাজাতীয় গুন বঙঈদেশে গরু দেখা গেলেও দেগুলি এদেশে আদিম রুক্ষ নয় .বলিয়াই রিভোতিগে মনে করেন। এই সফল বৃক্ষ

ভারতের অপর অংশেও